Posts

পরিবার না চলমান আন্দোলন (সংগৃহীত)

Image
পরিবার না চলমান আন্দোলন    এক জন কংগ্রেস কর্মী গান্ধী পরিবারের পক্ষে লিখবে, সেটাই তো স্বাভাবিক! তবে তো এ লেখায় নতুন কিছুই থাকবে না। ইতিহাসে তো নতুন কিছু থাকে না, যেটা হয়েছিল সেটাই তো ঐতিহাসিকরা লিখবেন। বহু দিন ধরে শোনা গান্ধী পরিবারের ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার অভিযোগ আবার 'ব্রেকিং নিউজ' হচ্ছে! আমার মতো এক ক্ষুদ্র কংগ্রেস কর্মীর তো কোনও মিডিয়া নেই, তাই এখানেই মনের মধ্যে জমে থাকা কিছু কথা লিখে মনের ভার কমানোর চেষ্টা করছি। যদি লেখায় কোনও ভুল থাকে, কোনও মিথ্যের আশ্রয় থাকে, জানাবেন। ভুল স্বীকার করে নেব।    কিছু প্রচলিত কথা আছে, যেমন এই গান্ধীরা কি সেই গান্ধী! রক্তের সম্পর্ক ধরলে তো একদমই না। গান্ধী পদবি থাকলেই যে কেউ মহাত্মা গান্ধী হয়ে যাবে, সেটা আবার হয় নাকি!তবে তো মহাত্মার রক্তের সম্পর্কের মানুষগুলো সবাই মহাত্মা গান্ধী হয়ে যেতেন। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম জিন বাহিত হয়, কিন্তু জীববিদ্যা অনুসারে উপযুক্ত পরিবেশ ছাড়া জিনের বিকাশ হয় না। তাই মহাত্মা গান্ধীর জিন না পেলেও ইন্দিরা গান্ধীর পরিবারটা সেই পরিবেশ পেয়েছিলেন। মানুন, নাই মানুন, ভাল বলুন বা খারাপ,  দেশে...

ত্রিপুরার আদিবাসী অঞ্চল স্বায়ত্তশাসিত জেলা পরিষদ

Image
ত্রিপুরা উপজাতি যুব সমিতির নেতৃত্বে দীর্ঘকালীন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ফলপ্রসু হল আজকের ত্রিপুরার আদিবাসী অঞ্চল স্বায়ত্তশাসিত জেলা পরিষদ (এডিসি)। স্বায়ত্তশাসিত জেলা পরিষদ স্থাপনের মূল লক্ষ্য হল জনজাতিদের তাদের শাসন পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়া এবং পিছিয়েপড়া লোকদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, সামাজিক, রাজনৈতিক সর্বোপরী অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থ ও রক্ষা কবচের উদ্দেশ্যে কংগ্রেসের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী জী ১৯৮৪ সালের ৪৯ তম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা ভারতীয় সংবিধানের 6ষ্ঠ তফসিলে ত্রিপুরাকে সংযুক্ত করা হয়, এবং পরবর্তী সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৯৮৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়।

Tripura Pradesh Mahila Congress distributed National flag & mask

Image
On the occasion of 74th Independence Day We distributed National flag & mask among Common People at Battala bazar, today   Under the leadership of Tripura Pradesh Mahila Congress west LS incharge Smt DebjanibLaskar ji in Presence of Tripura Pradesh Congress Committee Block President Tapan Singha, Yoth Leader Rakhu Das, Youth Congress State Secretary Arnika Saha & Tanmoy Dhar, Tripura Pradesh Sadar District Mahila Congress Secretary Rekha Chakraborty & Mahila Congress Member Bina Ghosh.

মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী (Day ১৪)

Image
মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী (Day ১৪) মহাত্মা গান্ধী জন্ম ২রা অক্টোবর, ১৮৬৯ মৃত্যু ৩০শে জানুয়ারি, ১৯৪৮ অন্যতম প্রধান ভারতীয় রাজনীতিবিদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্রগামী ব্যক্তিদের একজন এবং প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক নেতা। তিনি ছিলেন সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা। এর মাধ্যমে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনসাধারণের অবাধ্যতা ঘোষিত হয়েছিল। এ আন্দোলন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অহিংস মতবাদ বা দর্শনের উপর এবং এটি ছিল ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম চালিকা শক্তি, সারা বিশ্বে মানুষের স্বাধীনতা এবং অধিকার পাওয়ার আন্দোলনের অন্যতম অনুপ্রেরণা। একজন শিক্ষিত ব্রিটিশ আইনজীবী হিসেবে, গান্ধীজি প্রথম তাঁর অহিংস শান্তিপূর্ণ নাগরিক আন্দোলনের মতাদর্শ প্রয়োগ করেন দক্ষিণ আফ্রিকায় নিপীড়িত ভারতীয় সম্প্রদায়ের নাগরিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে। ভারতে ফিরে আসার পরে কয়েকজন দুঃস্থ কৃষক এবং দিনমজুরকে সাথে নিয়ে বৈষম্যমূলক কর আদায় ব্যবস্থা এবং বহু বিস্তৃত বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলেন। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসেরনেতৃত্বে আসার পর গান্ধীজি সমগ্র ভারতব্যাপী দারিদ্র্য দূরীকরণ, নারী স্বাধীনতা, বিভিন্ন জাত...

সরদার বল্লভভাই পটেল (Day ১৩)

Image
সরদার বল্লভভাই পটেল (Day ১৩) জন্ম ৩১ অক্টোবর ১৮৭৫ মৃত্যু ১৫ ডিসেম্বর ১৯৫০ একজন ভারতীয় পণ্ডিত ও জাতীয়তাবাদী নেতা। যিনি সরদার প্যাটেল নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। তাকে ভারতের লৌহমানব বলা হয়। তিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম উপ প্রধানমন্ত্রী। ১৯১৭ সালে সর্দা‌র বল্লভভাই ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের গুজরাট শাখার সেক্রেটারি হিসাবে নির্বাচিত হন । ১৯১৮ সালে কায়রায় বন্যার পরে ব্রিটিশরা জোর করে কর চাপিয়ে দিলে তিনি কৃষকদের কর প্রদান না করার জন্য একটি বিশাল "কর শুল্ক অভিযান" পরিচালনা করেছিলেন। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষকে কৃষকদের কাছ থেকে নেওয়া জমি ফিরিয়ে দিতে বাধ্য করেছিল। তাঁর এলাকার কৃষকদের একত্রিত করার প্রচেষ্টা তাঁকে 'সর্দার' উপাধি দিয়েছিল। তিনি গান্ধী দ্বারা চালিত অসহযোগ আন্দোলনকে সক্রিয়ভাবে সমর্থন করেছিলেন। তিনি তার সাথে জাতি সফর করেছিলেন। এতে তিনি ৩০০,০০০ সদস্য নিয়োগ করেছিলেন এবং ১.৫ মিলিয়নের ও বেশি সংগ্রহ করতে সহায়তা করেছিলেন। ১৯২৮ সালে বারদোলির কৃষকরা আবার "ট্যাক্স-বৃদ্ধির" সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় তলব করার পরে কৃষক...

মাস্টারদা সূর্য সেন (Day ১২)

Image
সূর্য সেন (Day ১২) জন্ম- ২২ মার্চ, ১৮৯৪ - মৃত্যু: ১২ জানুয়ারি, ১৯৩৪ বা সূর্যকুমার সেন যিনি মাস্টারদা নামে সমধিক পরিচিত। তার ডাকনাম ছিল কালু।  ভারতবর্ষের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নেতা হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব। পূর্ববঙ্গে জন্ম নেওয়া এই বাঙালি বিপ্লবী তৎকালীন ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং নিজ জীবন বলিদান করেন।  সূর্যসেনের বাহিনী কয়েকদিনের জন্যে ব্রিটিশ শাসনকে চট্টগ্রাম এলাকা থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিল।  সূর্য সেনের অন্যতম সাথী বিপ্লবী অনন্ত সিংহের ভাষায় "কে জানতো যে আত্মজিজ্ঞাসায় মগ্ন সেই নিরীহ শিক্ষকের স্থির প্রশান্ত চোখ দুটি একদিন জ্বলে উঠে মাতৃভূমির দ্বিশতাব্দীব্যাপি অত্যাচারের প্রতিশোধ নিতে উদ্যত হবে? ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহ দমনের জন্য বর্বর অমানুষিক অত্যাচারের প্রতিশোধ, জালিয়ানওয়ালাবাগের নৃশংস হত্যাকান্ডের প্রতিশোধ! কে জানতো সেই শীর্ন বাহু ও ততোধিক শীর্ন পদযুগলের অধিকারী একদিন সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজ রাজশক্তির বৃহত্তম আয়োজনকে ব্যর্থ করে - তার সমস্ত ক্ষমতাকে উপহাস করে বৎসরের পর বৎসর চট্টগ্রামের গ্রামে গ্রামে বি...

সুভাষচন্দ্র বসু (Day ১১)

Image
সুভাষচন্দ্র বসু  জন্ম: ২৩ জানুয়ারি, ১৮৯৭  ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক চিরস্মরণীয় কিংবদন্তি নেতা। তিনি নেতাজি নামে সমধিক পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত উক্তি "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো।"  ১৯২১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশকে চিঠি লিখে জানান যে, তিনি ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস (আইসিএস) পরীক্ষায় চতুর্থ হয়েছেন। তবে তিনি ব্রিটিশ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মী হতে চান না। অর্থাৎ, সরকারি চাকরিতে তিনি যোগ দিচ্ছেন না। দেশে ফিরে তিনি ভারতের সাধারণ মানুষের জন্যই কাজ করতে চান। চিত্তরঞ্জন দাশকে লেখা ওই চিঠিতেই কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তরুণ সুভাষ। ১৯২১ সালে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পরে সুভাষচন্দ্রর প্রথম উল্লেখযোগ্য কর্মসূচী ছিল ‘প্রিন্স অব ওয়েলস’-এর ভারত সফর বয়কট করার আন্দোলন গড়ে তোলা। ‘প্রিন্স অব ওয়েলস’-এর অভ্যর্থনার আসরেই খাদির বস্ত্র বিলি ও বিক্রি করার চেষ্টা করেন সুভাষচন্দ্র ও তাঁর কয়েকজন অনুগামী। আন্দোলন ঠেকাতে তখন কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের গণহারে গ্রেফতার করা হয়। গ্রফতার হন চিত্তরঞ্জন দাশ আর সুভাষচন্দ্রও। এর প...